১১ বিয়ে করে কারাগারে সেই হামিদা

১১ বিয়ে করে কারাগারে- একের পর এক বিয়ে করে দেনমোহর আদায় বাণিজ্যের নায়িকা ১১ বিয়ে করা আলোচিত হামিদা বেগম অবশেষে কারাগারে।

বৃহস্পতিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হামিদা হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে আদালত তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

হামিদা বেগম সরাইল উপজেলার কালীকচ্ছ ইউনিয়নের কলেজপাড়ার মৃত বালু মিয়ার মেয়ে।

এর আগে ২৪ সেপ্টেম্বর এই আদালতে হামিদার বিরুদ্ধে একটি প্রতারণার মামলা দায়ের করেন সরাইল উপজেলার কালীকচ্ছ ইউপির দৌলতপাড়ার বাসিন্দা মো. জহিরুল ইসলাম।

আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে হামিদার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আদেশ দিয়েছিলেন।

কালীকচ্ছ এলাকার বাসিন্দা মো. শহিদুল ইসলাম জানান, এই নারীর কারণে এখানকার অনেক মানুষ অতিষ্ট। হামিদা প্রতারণার পর মানুষকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা তার পেশা। এ বয়সে এই নারী একে একে ১১টি বিয়ে করেছে।

মো. নাজমুল হোসেন নামে এক ব্যক্তি জানান, হামিদা যতদিন জেলে থাকবে, ততদিন আমাদের এলাকা পাপমুক্ত থাকবে। আমরা আদালতকে অভিনন্দন জানাই। হামিদার পেশা প্রবাসী ও ব্যবসায়ীদের ফাঁদে ফেলে বিয়ের পর তাদের কাছ থেকে দেনমোহর আদায় করা।

মামলার বাদী জহিরুল ইসলাম জানান, হামিদার প্রতারণার শিকার হয়ে আমি আদালতে মামলা দায়ের করি। সে আমার কাছ থেকে সাত লাখ পাঁচ হাজার টাকা নিয়ে একটি চেক দিয়েছিল। সেই চেক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে ডিজঅনার হয়।

এই মামলার বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট আশরাফ উদ্দিন বলেন, প্রতারণার মামলায় বৃহস্পতিবার জামিন নিতে আসলে আদালত হামিদা বেগম নামে ওই নারীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বর্তমানে হামিদা কারাগারে আছেন।

হাসপাতালে নবজাতককে ফেলে পালিয়ে গেলেন মা

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দোতালার বারান্দায় নবজাতক এক কন্যাশিশুকে ফেলে পালিয়েছেন মা। গত বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে খাদিজা নামের হাসপাতালের এক কর্মচারী নবজাতকের কান্নার শব্দ শুনে বারান্দায় যান।

সেখানে নবজাতকটিকে একটি বিছানার নীচে কাঁথায় মোড়ানো অবস্থায় পান তিনি। এ সময় কোনো অভিভাবক না পেয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সদের জানান খাদিজা।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন একজন রোগী জানান, সন্ধ্যার দিকে বোরখা পরিহিত এক নারী নিজেকে মা পরিচয় দিয়ে ওই নবজাতককে নিয়ে হাসপাতালে আসেন। এ সময় তিনি নবজাতকটি অসুস্থ্য জানিয়ে তাকে কোলে

নিয়ে হাসপাতালের দোতালায় ঘোরাঘুরি করতে থাকেন এবং চিকিৎসক কখন আসবে জানতে চান। পরে নবজাতকটিকে বারান্দা থেকে উদ্ধারের পর বুঝতে পারি মা পরিচয় দেওয়া ওই নারী তাকে ফেলে পালিয়েছে।

এ খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন ওই নবজাতককে দত্তক নেওয়ার জন্য হাসপাতালে ভিড় করে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অনেক খোঁজাখুঁজি করেও শিশুটির কোনো অভিভাবক পাননি। আনুমানিক তিনদিন

বয়সী ওই নবজাতককে রাত ১২টার দিকে উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফেনীর স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘সহায়’-এর জিম্মায় ফেনী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

সোনাগাজী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক নুরুল আমিন জানান, নবজাতকটি হাসপাতালে জম্মগ্রহণ করেনি। অন্য কোথাও জম্মের পর তার মা তাকে কৌশলে হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যায়।

About redianbd

Check Also

প্রবাসীর স্ত্রী অ’ন্তঃ’সত্ত্বা, ফেঁসে গেলেন চাচা শ্বশুর। দেখুন বিস্তারিত

ফেনীর সোনাগাজীতে চাচা শ্বশুরের ধ’র্ষণে প্রবাসীর স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর …

Leave a Reply

Your email address will not be published.