পুরুষের ক্যান্সার প্রতিরোধ করবে যে শাক

পুরুষের ক্যান্সার প্রতিরোধ করবে যে সবজি- যারা গরু ও খাসির মাংস বেশি খান এবং আঁশ-সমৃদ্ধ খাবার কম খান তাদের মধ্যে কোলন ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা বেশি। আর নারীদের চেয়ে পুরুষের কোলন ক্যান্সার বেশি হয়ে থাকে।

তবে একটি সবজি রয়েছে যা কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। এই সবজির নাম হচ্ছে কলমি শাক। সবুজ এ শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, ভিটামিন এবং খনিজ।

কলমি শাকের রয়েছে বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা। আসুন জেনে নেই কলমি শাকের স্বাস্থ্য উপকারিতা।

১. কলমি শাকে খুব সামান্য পরিমাণে ক্যালরি থাকে ও এটি ফাইবারের দারুণ উৎস। এই শাক শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমায়।

২. কলমি শাকে রয়েছে ফাইবার। যা কোষ্ঠ-কাঠিন্য কমাতে খুব ভালো কাজ করে ও হজম-শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।তাই নিয়মিত এ শাক খেলে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে।

৩. এই শাক হৃদরোগজনিত জটিলতা ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাবে। এছাড়া ফাইবার অতিরিক্ত কোলেস্টেরল কমায়।

৪. শরীরে আয়রনের ঘাটতি পূরণ করবে কলমি শাক। কলমি শাকে থাকা আয়রন থাইরয়েডের কার্যকারিতা ঠিক রাখা, বিপাকক্রিয়া বাড়ানো, তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখে লোহিত র ক্ত কণিকা উৎপন্ন কর।

৫. কলমি শাকে থাকা প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ দৃষ্টি শক্তি উন্নত করে।

সূত্র : হেলদিবিল্ডার্জড।

রোগ নিরাময়ে পালং শাকের উপকারিতা…

আজকে আমরা রোগ নিরাময়ে পালং শাকের উপকারিতা সম্পর্কে জানব। আমাদের শরীর সুস্থ-সবল রাখতে শাক-সবজির গুরুত্ব অপরিসীম। তাই আমাদের নিয়মিত শাক-সবজি খাওয়া উচিত। পালং শাক যেমন খেতে ভালো, তেমনি কাজেও দারুণ। পালং শাক খাওয়ার রয়েছে অনেক উপকারিতা। তাই নিয়মিত খাদ্য তালিকায় অবশ্যই রাখুন পালং শাক।

নিম্নে পালং শাকের কিছু অসাধারণ গুণগুলোর সম্পর্কে আলোচনা করা হল:

১.পালং শাক স্মৃতিশক্তি বিকাশে এবং মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে খুবই কার্যকর।

২.পালং শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ ও ‘আয়রন’ থাকায় র ক্ত স্বল্পতা দূর করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

৩. পালং শাকে বিটা কেরোটিন এবং প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ থাকায় তা কোলনের কোষ’গুলোকে রক্ষা করে।

৪. দেহ ঠাণ্ডা ও স্নিগ্ধ রাখে পালং শাক।

৬. কিডনিতে পাথর থাকলে, তা গুড়ো করতে সাহায্য করে পালং শাক।

৭. পালং শাক রক্ত তৈরিতে সাহায্য করে এবং দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। পালং শাক পেট পরিষ্কার রাখতেও যাদুর ন্যায় কাজ করে।

৮. পালং শাক কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। অনেকের মেদবৃদ্ধি ও দুর্বলতায় হাঁফ ধরে, তারা পালং পাতার রস খেলে উপকার পাবেন।

৯. ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য পালং শাক খুব উপকারী। দাঁত ও হাড়ের ক্ষয়রোধে পালং শাক কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

১০. পালং শাকে ১৩ প্রকার ফাভোনয়েডস আছে যা ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধে পালং শাক খুবই কার্যকর।

১১. পালং শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেলস থাকায় এটি মহিলাদের মাসিক-জনিত সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে।

১২. বাতের ব্যথা, মাইগ্রেশন, অস্টিওপোরোসিস, মাথা ব্যথা দূর করতে প্রদাহনাশক হিসেবে পালং শাক কাজ করে।

About redianbd

Check Also

আপনার ৫ মাস বয়সী ছোট্ট শিশুর যত্নের জন্য দরকারী কিছু পরামর্শ।

যতক্ষণ না আপনার বাচ্চা একজন প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে উঠছে, ততক্ষণ তার সমস্ত প্রয়োজনীয় যত্ন দরকার হবে। …

Leave a Reply

Your email address will not be published.