আবরার হ’ত্যায় জড়িত আসামীর মা চাইলেন ছেলের বিরুদ্ধে বিচার

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদ হ’ত্যার দ্রুত বিচার দাবি করেছেন আ’সামি ছাত্রলীগ বুয়েট শাখার গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক ইশতিয়াক আহমেদ মুন্নার মা। ঘটনার পরই পু’লিশের হাতে আ’ট’ক হন মুন্না।

মুন্নার মা কুলসুমা আক্তার শেলি দাবি করেন, তার ছেলে এ ঘটনার সঙ্গে জ’ড়িত নয়। কারণ হিসেবে তিনি জানান, ঘটনার রাতে মুন্না তার গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজে’লার ঘরগাঁও গ্রামে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে ছিলেন। বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে রাত সাড়ে ১১টায় মুন্না বাড়ি থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা দেন।

মুন্নার মা বলেন, আমা’র ছেলেকে পু’লিশ আ’ট’ক করেছে সন্দেহ’জনকভাবে। আমা’র ছেলে এমন বর্বর হ’ত্যার সঙ্গে জ’ড়িত থাকার প্রশ্নই আসে না।

তিনি বলেন, আজ আবরারের স্থলে আমা’র ছেলে মা’রা গেলেও আমি পুত্রহারা হতাম। আমি এ হ’ত্যাকা’ণ্ডের দ্রুত বিচার দাবি করছি।

মঙ্গলবার মুন্নার গ্রামের বাড়িতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তার পিতা প্রয়াত আহাদ আলী মেম্বার ছিলেন বিএনপির একজন কর্মী। তারা পারিবারিকভাবে বিএনপির সম’র্থক। এ পরিবারের সন্তান ইশতিয়াক মুন্না বুয়েটে গিয়ে ছাত্রলীগ নেতা বনে যান।

আবরার হ’ত্যার মুন্না জ’ড়িত থাকার বি’ষয়টি গ্রামের বাড়ি চুনারুঘাটে জানাজানি হলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকেই তাকে চুনারুঘাটের ক’লঙ্ক বলে আখ্যায়িত করেছেন।

কুলসুমা আক্তার গত শনিবার বিকালে তার ৩ ছেলেকে নিয়ে চুনারুঘাটের ঘরগাঁও গ্রামে পীর মোর্শেদ কামালের মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে বেড়াতে আসেন। রোববার রাতে বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে রাত সাড়ে ১১টায় বুয়েটের ইশতিয়াক মুন্না বাসযোগে ঢাকায় চলে যান।

মুন্না সমস্যায় আছে, এ কথা বলেই সে ফোন কে’টে দেয়। পরে কুলসুমা খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন তার ছেলে প্রথমে চকবাজার পু’লিশ ও পরে ডিবি পু’লিশের কাছে রয়েছে। তাকে সন্দেহ’জনকভাবে আ’ট’ক করা হয়েছে এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

তিনি জানান, নি’হত আবরারের বাবা যে মা’মলা করেছেন তাতে তার ছেলে মুন্নার নাম নেই। এ ছাড়া যে ভিডিও ফুটেজ পাওয়া গেছে তাতেও মুন্নার ছবি নেই। তিনি জানান, সে ছাত্রলীগ করত আমি জানি।

এ বি’ষয়ে মুন্নার চাচা ওয়াহেদ আলী জানান, মুন্না রোববার বাড়িতে এসেছিল। রাতে ঢাকা যাওয়ার সময় আমা’র সঙ্গে বিদায় নিয়ে গেছে।

একই কথা জানান একই গ্রামের ডা. মু’সলিম উদ্দিন বলেন, ইশতিয়াক মুন্নারা ৩ ভাই। সবাই মেধাবী। মুন্না গ্রামের ঘরগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ার সময়ই ২০০৮ সালে তারা বাবা মা’রা যান। পরে বিবাড়িয়া জে’লায় মায়ের কাছে থেকে উচ্চ মাধ্যমিক লেখাপড়া করেন। পরে ঢাকায় ক্যাম্ব্রিয়ান কলেজ থেকে পাস করে বুয়েটে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সুযোগ পান। বড় ভাই আশরাফ আহমেদ মনির সেনাবাহিনীতে সেকেন্ড লে. হিসেবে যোগদান করে এখন ক্যাপ্টেন হিসেবে কর্ম’রত আছেন।

About redianbd

Check Also

প্রবাসীর স্ত্রী অ’ন্তঃ’সত্ত্বা, ফেঁসে গেলেন চাচা শ্বশুর। দেখুন বিস্তারিত

ফেনীর সোনাগাজীতে চাচা শ্বশুরের ধ’র্ষণে প্রবাসীর স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর …

Leave a Reply

Your email address will not be published.