অকালে চুল পড়ে বা পেকে যাচ্ছে ? এক মাসেই নতুন চুল গজাবে এই কাজটি করলে…

চুল নিয়ে আমাদের দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ সমস্যায় ভুগছেন। কারোর চুল উঠে যাচ্ছে তো কারোর চুল পেকে যাচ্ছে। বর্তমান দিনে খাবারে ভ্যাজাল, পরিবেশের দূষণ এত বেড়ে গেছে যে এগুলোর কারনে প্রতিনিয়ত মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ছে। আর এই কারনেই বেড়ে চলেছে রোগ। আর চুল এমন এক জিনিস যে শরীরে কোন সমস্যা হলে তার প্রভাব আগে চুলে পড়ে।

শারীরিক পরিশ্রম, খাবারে নানা কেমিকেলের উপস্থিতি, পর্যাপ্ত ভিটামিন ও মিনারেলের অভাব, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা সহ নানা কারণে অল্প বয়সেই চুল পড়ে যাওয়া খুবই বিব্রতকর ব্যাপার। আজ আপনাদের এমন কিছু ঘরোয়া উপাদানের কথা বলবো যার সাহায্যে আপনি পেতে পারেন আপনার হারিয়ে যাওয়া চুল।

১। পেঁয়াজ বাটা ঃ পেঁয়াজ বাঙালী ও অবাঙালী সকলের রান্নার ক্ষেত্রে খুবই বেশি ব্যবহারকারী উপাদান। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে পিঁয়াজ চুলের ক্ষেত্রে কত উপকারী। পিঁয়াজের রস চুলের গোড়ায় লাগিয়ে ১ ঘন্টা রেখে ভালো করে শ্যাম্পু করলে আপনি পাকা চুল ও চুল পরা থেকে মুক্তি পাবেন।

২। আমলকী ও লেবুর রস ঃ আমলকী ও লেবুর গুনাগুন সকলের জানা। চুলে খুস্কির সমস্যা হোক বা চুল পরা, সব ক্ষেত্রেই আমলকী হল দারুন ওষুধ। তার সঙ্গে যদি থাকে লেবু তাহলে তো কথাই নেই। আপনি লেবুর রসের সাথে আমলকী মিশিয়ে মাথায় মাখতে পারেন। কিছুদিন পর লক্ষ্য করুন আপনার চুলের পার্থক্য।

৩। নারিকেল তেল ও লেবু ঃ প্রাচীন কাল থেকেই চুলের জন্য একমাত্র উপকারী উপদান হল তেল। আর নারিকেল তেল হল চুলের জন্য খুবই উপকারী। চার চামচ নারিকেল তেলের সঙ্গে দু চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে চুলের গোড়ায় মালিশ করুন। এইভাবে মাস খানেক করতে থাকুন। তারপর ফল দেখতে পাবেন নিজের চোখেই।

৪। গাজরের রস ঃ গাজর এমন এক উপাদান যা প্রচুর ভিটামিন ও মিনারেলসে পরিপুর্ন। আর চুলের জন্যেও খুব উপকারী গাজর। গাজর ব্লেন্ডারে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। তারপর তার থেকে রস বের করে নিয়ে এক গ্লাস করে খান। এইভাবে রোজ খেলে আপনার চুলের স্বাস্থ্য ফিরবে।

উপরের পদ্ধতিগুলো নিয়মিত অনুসরণ করলে সহজে ঘরে বসে অকালে চুল পাকা বা পড়া রোধ করা সম্ভব। পর্যাপ্ত ঘুমানোর চেষ্টা করুন এবং অবশ্যই প্রচুর পরিমাণে জল পান করতে ভুলবেন না। মনে রাখবেন শুধু পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ জলই আপনার শরীর থেকে অনেক রোগ দূরে রাখতে পারে।

About redianbd

Check Also

আপনার ৫ মাস বয়সী ছোট্ট শিশুর যত্নের জন্য দরকারী কিছু পরামর্শ।

যতক্ষণ না আপনার বাচ্চা একজন প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে উঠছে, ততক্ষণ তার সমস্ত প্রয়োজনীয় যত্ন দরকার হবে। …

Leave a Reply

Your email address will not be published.