পরীক্ষায় ফেল করলে বিয়ে করা যাবে না, ২০২০ থেকে সরকারি নিয়ম

‘পরীক্ষায় ফেল করলে বিয়ে দিয়ে দিবো’- এমন কথা হারহামেশা শোনা যায় আমাদের দেশে। কিন্তু ইন্দোনেশিয়ার চিত্রটা ভিন্ন। সেখানে বিয়ে করতে হলে পরীক্ষায় পাস করতে হবে। তারপর সরকার থেকে দেয়া হবে প্রশংসাপত্র। তবেই মিলবে বিয়ের অনুমতি।

জানা গেছে, ন্যূনতম যোগ্যতা হিসেবে পাস করতে হবে তিন মাসের প্রি ওয়েডিং কোর্স। শুধু কোর্স করলেই হবে না, সঠিক নম্বরও পেতে হবে। ২০২০ থেকে এই নিয়ম চালু করতে চলেছে ইন্দোনেশিয়া সরকার। প্রশাসন সূত্রে এমনটাই জানা গেছে। খবর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে দেশে ক্রমশ বাড়তে থাকা বিবাহবিচ্ছেদ আটকাতেই সরকারের এই সিদ্ধান্ত। কীভাবে সংসারের দৈনন্দিন কাজ সামলে দাম্পত্য জীবন সুখের করে তোলা করা যায়, থাকছে সেই প্রশিক্ষণও। বেশ কিছু রােগ এবং তার প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কেও আলােচনা করা হবে এই পাঠক্রমে।

সম্প্রতি সে দেশের হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কালচারাল অ্যাফেয়ার্স কো-অর্ডিনেটিং মন্ত্রী মুহাদজির এফেন্দি সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন, নব দম্পতিরা যাতে শান্তিতে সংসার করতে পারেন, সে কারণেই প্রি-ওয়েডিং কোর্সের ভাবনা। সরকারের এই প্রি-ওয়েডিং কোর্সের পাঠক্রমে থাকছে যৌন শিক্ষা, সন্তান কীভাবে মানুষ করবেন তার প্রশিক্ষণ।

জেনে নিন ব্যাকটেরিয়ানাশক সাবানের ক্ষতিকর দিক

জেনে নিন ব্যাকটেরিয়ানাশক – হাত ধোয়ার জন্য আমরা ব্যাকটেরিয়ানাশক সাবান ব্যবহার করি। তবে আপনি জানেন কী এই ব্যাকটেরিয়ানাশক সাবান সাধারণ সাবানের তুলনায় খুব বেশি উপকারী নয়। এসব সাবানে থাকতে পারে ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান।

অনেকেই হয়তো জানেন না ভালো করার চেয়ে খারাপও করতে পারে ‘অ্যান্টি-ব্যকটেরিয়াল’ সাবান।

স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট ব্যাকটেরিয়ানাশক সাবানের ওপর একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

আসুন জেনে নিই ব্যাকটেরিয়ানাশক সাবানের ক্ষতিকর দিক-

অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল সাবান বা যেকোনো পরিষ্কারক প্রসাধনীর গায়ে ‘অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল’ লেখা থাকার মানে হলো এতে বিশেষ একটি রাসায়নিক উপাদান রয়েছে। রাসায়নিক উপাদান যোগ করা হয়েছে শুধুই ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই রাসায়নিক উপাদান হয় ‘ট্রাইক্লোসান’ বা ‘ট্রাইক্লোকারবান’।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সব সাবানই জীবাণু ধ্বংস করে। তাই ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসের জন্য সাবানে আলাদা উপাদান যোগ করার কোনোই প্রয়োজন নেই। বরং এসব উপাদান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

যুক্তরাষ্ট্রের ‘দ্য ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাসোসিয়েশন (এফডিএ) এসব সাবান প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের ওপর তাদের পণ্য যে নিরাপদ এবং তার বাড়তি কার্যকারিতার প্রমাণ দর্শানোর নির্দেশ জারি করে রেখেছে। কারণ যে রাসায়নিক উপাদান সাবানে যোগ করা হয় তার যথেষ্ট ক্ষতিকর দিক রয়েছে।

পরীক্ষাগারে এই রাসায়নিক উপাদানগুলো পরীক্ষা করে দেখা গেছে, তারা কাজ করে ‘এন্ডোক্রাইন ডিজরাপ্টার’ হিসেবে। অর্থাৎ হরমোনের স্বাভাবিক কার্যাবলিকে তারা প্রভাবিত করে।

এসব সাবানের অতিরিক্ত ব্যবহার করলে ‘অ্যান্টি-বায়োটিক রেজিস্ট্যান্স’ অর্থাৎ সকল ‘অ্যান্টি-বায়োটিক ওষুধ শরীরে সঠিকভাবে কাজ করবে না।

তাই সাধারণ সাবান, যাতে কোনো ‘অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল’ উপাদান নেই, সেগুলোই নিয়মিত ব্যবহার করা উচিত। অনেক সাবানের গায়ে ‘অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল’ লেখা না থাকলেও তাতে ‘ট্রাইক্লোসান’ বা ‘ট্রাইক্লোকারবান’ থাকতে পারে।

তাই সাবান কেনার প্যাকেটের গায়ের উপকরণের তালিকা দেখে নিতে হবে।

About redianbd

Check Also

পৃথিবীর সবচেয়ে দামি ও সুস্বাদু ফল ইউবারি মেলন

জাপানে এক সুস্বাদু ফল পাওয়া যায়। যার নাম ইউবারি মেলন ( তরমুজ )। এ ফল …

Leave a Reply

Your email address will not be published.