এক রাতেই পা ফাটা দূর করবে ‘পেঁয়াজ’

অনেকেই পা ফাটার সমস্যায় ভুগেন। তবে শীতে এর প্রবণতা একটু বেশি থাকে। অনেক কিছু করেই এর থেকে রক্ষা পেতে চান নিশ্চয়! তবে স্থায়ীভাবে এর থেকে রক্ষা পাওয়া কঠিন।

কঠিন হলেও অসম্ভব কিছু নয়। খুব সহজ একটি উপায়ে এই সমস্যার হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তাও ঘরোয়া উপায়ে। পেঁয়াজ প্রতিটি রান্না ঘরেই থাকে। আর এই পেঁয়াজ ব্যবহারেই মিলবে সমাধান। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক এর ব্যবহার পদ্ধতি-

প্রথমে পা কুসুম গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন ১০ মিনিটের মতো। এরপর পা খুব ভালোভাবে ঘষে ঘষে পরিষ্কার করে নিন। পরিষ্কার করা হয়ে গেলে পা খুব ভালো করে মুছে নিন। তারপর একটি পেঁয়াজ থেকে এর রস বের করে নিন। এবার পায়ের ফাটা স্থানে পেঁয়াজের রস ঠিকভাবে লাগিয়ে নিন। রাতে ঘুমানোর আগে এই পদ্ধতিটি অনুসরণ করলে মাত্র এক রাতেই ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।

শীতে চুল বিপদমুক্ত রাখার ১০ উপায়

ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তন আসে আমাদের শারীরিক দিকেও। এসময় ত্বকের নানা সমস্যার পাশাপাশি সব থেকে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয় আমাদের চুল।
তাই এসময় চুলের প্রতি নিতে হবে একটু বাড়তি যত্ন। ঘরোয়া উপায়ে শীতের সময়েও চুল থাকবে সব রকম বিপদমুক্ত। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক শীতে চুল ভালো রাখার ১০ উপায়-

> চুলে লেবুর রস লাগাতে পারেন। লেবুর রস বানিয়ে তার মধ্যে পানি মেশান। সেই মিশ্রণটি মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন। এতে খুসকির সমস্যা মিটে যাবে। চুল ভালো পরিষ্কার হতেও সাহায্য করে এই মিশ্রণ।

> নারিকেল তেলের মধ্যে কয়েক টুকরো আমলা দিয়ে দিন। এরপর সেই তেল গরম করে মাথায় লাগান। এই মিশ্রণ চুল লম্বা হতে সাহায্য করে।

> পানির মধ্যে কয়েকটা নিম পাতা দিন। পানিটি ফুটিয়ে নিম ছেকে নিন। তারপর সেই পানি দিয়ে মাথা ধুয়ে নিন। সপ্তাহে অন্তত দুই বার এটি মাথায় লাগান। চুল ভালো থাকবে।

> হার্বাল তেল মাথায় ম্যাসাজ করতে পারেন। মাথার ত্বক ড্রাই হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে তেল। ফলে খুসকির সমস্যা দূর হয়।

> শীতকালে খুব বেশি শ্যাম্পু করবেন না। এতে চুলের স্বাভাবিক তেল নষ্ট হয়ে যায়।

> শ্যাম্পু করার পর অবশ্যই কন্ডিশনার লাগাবেন। না হলে চুল শুষ্ক হয়ে যায়।

> চুল বেশি করে আঁচড়ান। না হলে এই সময় চুল শুষ্ক হয়ে যাওয়ার কারণে জট পড়ে যায়। যা ছাড়াতে গিয়ে অনেক চুল উঠে যায়।

> খুসকির সমস্যা দূর করতে নারিকেল তেলের মধ্যে মেথি মিশিয়ে লাগাতে পারেন। তেল গরম করে মাথায় লাগান। সারারাত এভাবেই রাখুন। পরের দিন শ্যাম্পু করে নিন।

> প্রতিদিন শ্যাম্পুর সঙ্গে অ্যালোভেরা জেল ভালোভাবে মিশিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। চুলের যত্নে অ্যালোভেরা জেল খুবই উপকারি একটি উপাদান।

> গোলাপ জল সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করুন। শীতে চুল ড্যামেজ হয়ে যায়, তা থেকে রক্ষা করে গোলাপ জল। এর জন্য কয়েকটি গোলাপের পাপড়ি পানিতে একদিন ভিজিয়ে রাখতে হবে তাহলেই গোলাপ জল তৈরি হয়ে যাবে। এটি শীতে চুলকে ড্যামেজের হাত থেকে রক্ষা করবে।

About redianbd

Check Also

প্রায় সকল পুরুষরাই মেয়েদের এই ১০টি আচরণ ভীষণ অপছন্দ করে, সচেতন হোন!

প্রিয় পুরুষকে খুশি করতে কত কিছুই না করে থাকেন নারীরা। পছন্দের সাজসজ্জা, সুন্দর পোশাক, আন্তরিক …

Leave a Reply

Your email address will not be published.