চুল পড়া কমাতে পেয়ারা পাতার ব্যবহার

চুল পড়ে যাচ্ছে এই নিয়ে দুশ্চিন্তায় আরও বেশি চুল পড়ে। এ সমস্যা রোধে নানা প্রাকৃতিক উপায় ব্যবহারের কথা শোনা যায়। তবে পেয়ারা পাতা ব্যবহারের বিষয়টি খুব একটি প্রচলিত নয়। কিন্তু এটি বেশ কার্যকরী। কয়েক শো বছর ধরে উত্তর আমেরিকার দেশ মেক্সিকোতে চুল ওঠার পাশাপাশি বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে পেয়ারা পাতা ব্যবহার করা হয়।

পেয়ারা ফলের মতো এর পাতাতেও রয়েছে প্রচুর ভিটামিন বি ও সি। এই ভিটামিন দুটি কোলাজেনের সক্রিয়তা বাড়ায়। চুল গজানোর জন্য কোলাজেন সক্রিয় হওয়া খুব জরুরি। এছাড়া পেয়ারা পাতায় প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং জীবাণুনাশক রাসায়নিক রয়েছে, যা মাথার স্ক্যাল্প সুস্থ রাখে। এতে থাকে লাইকোপেন, যা সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি থেকে চুলকে রক্ষা করে।

এক গ্লাস জলে বেশ কয়েকটা পেয়ারা পাতা দিয়ে অন্তত ২০ মিনিট ফোটান। নামিয়ে ঠাণ্ডা করুন। শ্যাম্পু করে চুল শুকিয়ে তাতে এই জল লাগিয়ে নিন।

চুলের গোড়ায় লাগাতে ভুলবেন না‌। দুই ঘণ্টা রেখে ঠাণ্ডা ধুয়ে ফেলুন।

 

ডাক্তারের কাছে না গিয়েই কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করুন সহজ এই ১০টি পরিবর্তনের মাধ্যমে…

যদি উচ্চ কোলেস্টেরল ধরা পড়ে অথবা সাধারণের তুলনায় মাত্রা অল্পটুকুও বেড়ে যায় তবে ওই সময়ই তা নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করতে হবে।
তারমানে এই নয় যে মাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য ডাক্তারের কাছে চিকিৎসাধীন থাকতে হবে অথবা ওষুধ নিতে হবে। খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণ এবং জীবনযাপন পদ্ধতিতে পরিবর্তন মাধ্যমেও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে আনা যায়। আসুন জেনে নেই কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে কি কি করা যায়।

১.ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখুন
ওজন অতিরিক্ত বেড়ে গেলে তা ‘ওবেসিটি’র কারণে কিনা সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া জরুরি। বাড়তি ওজন স্বাস্থ্যের ঝুঁকি বাড়ায় বহুগুণ। তবে ওজন কমানোর জন্য তাড়াহুড়া করা একেবারেই উচিত হবে না। এজন্য খাদ্যাভ্যাসে লাগাম টানা জরুরি। তারমানে এই নয় যে না খেয়ে থাকতে হবে। ব্যায়াম এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাস ওজন কমিয়ে আনতে সাহায্য করবে।

২.নিয়মিত হাঁটুন
সময় বের করে ব্যায়াম করা না হলে দিনে একটি সময় বরাদ্দ রাখতে হবে হাঁটার জন্য। যে কোনো ব্যায়ামের মধ্যে সবচাইতে আদর্শ হল হাঁটা। এজন্য আলাদা কোনো খরচও হয় না পাশাপাশি বেশ উপকারি। নিয়মিত ২০ থকে ৪০ মিনিট হাঁটলে প্রায় ৮.৩ শতাংশ কোলেস্টেরল কমানো সম্ভব।

৩.মাংস খান চর্বি ছাড়া
কলেস্টেরলের সমস্যা থাকলে অবশ্যই মাংস খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে আনতে হবে। আর খেলেও অবশ্যই চর্বিহীন মাংস বেছে নিতে হবে, তাও পরিমাণ মতো।

৪.সবজি খান প্রচুর
কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিরামিষ খাদ্যাভ্যাসের জুরি নেই। তাছাড়া খাবারের তালিকায় সবজির পরিমাণ বেশি হলে তা স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী। এতে শরীর পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং খনিজ উপাদান পাবে।

৫.মাছ খান
সপ্তাহে অন্তত দুই থেকে তিন বার মাছ খাওয়া উচিত। এর মধ্যে স্যামন এবং টুনা মাছ সব থেকে বেশি উপযোগী। কারণ এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। শরীরে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা এড়াতে সাহায্য করে এই উপাদান। তাছাড়া মাছের তেল থেকে তৈরি ক্যাপসুলেও প্রচুর ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে।

৬.অ্যালকোহল পরিহার
অ্যালকোহল গ্রহণ শরীরের জন্য অনেকভাবেই ক্ষতিকর। তাছাড়া হৃদপিণ্ডে কোলেস্টেরল জমে গেলে, সেক্ষেত্রে অ্যালকোহল গ্রহণ আরও ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে অ্যালকোহল দায়ী।

৭.হতাশা দূর করুন
মানসিক চাপ শরীর এবং স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। মানসিক চাপ বৃদ্ধি পেলে শরীরে বিশেষ ধরনের রাসায়নিক পদার্থ নিঃসৃত হয় যা রক্তচাপ বৃদ্ধি করে এবং পরে হৃদপিণ্ডে রক্ত সরবারহ কমিয়ে ফেলে। তাই মানসিক চাপ দূর করার জন্য বিভিন্ন উপায় খুঁজে বের করতে হবে।

৮.পুষ্টিকর ব্রেকফাস্ট
দিনের শুরুতে অনেকেই ব্রেকফাস্ট বাদ দিয়ে থাকেন। কিন্তু এটি স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। দিনের শুরুতে পুষ্টিকর খাবার খাওয়া জরুরি।

About redianbd

Check Also

আপনার ৫ মাস বয়সী ছোট্ট শিশুর যত্নের জন্য দরকারী কিছু পরামর্শ।

যতক্ষণ না আপনার বাচ্চা একজন প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে উঠছে, ততক্ষণ তার সমস্ত প্রয়োজনীয় যত্ন দরকার হবে। …

Leave a Reply

Your email address will not be published.