সপ্তাহে ৩ দিন শা’রীরিক স’ম্প’র্কে বিপদ হতে পারে

বি: দ্র : ই্উটিউব থেকে প্রকাশিত সকল ভিডিওর দায় সম্পুর্ন ই্উটিউব চ্যানেল এর।

এর সাথে আমরা কোন ভাবে সংশ্লিষ্ট নয় এবং আমাদের পেইজ কোন প্রকার দায় নিবেনা।ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে।প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য।

দেখুন ভিডিওতে…

আরো পড়ুনঃ

সন্তানকে বুদ্ধিমান বানাতে চাইলে যে ৬টি কাজ করবেন

সন্তানের জন্মের পর থেকেই তাকে সঠিকভাবে বড় করে তোলা অভিভাবকদের মূল লক্ষ্য। কিন্তু অনেক সময় সন্তান-পালনে এমন কিছু ঘাটতি থেকে যায়, যার রেশ ধরে সন্তান মনের মতো হয়ে উঠতে পারে না।

অথচ, তার বেড়ে ওঠার সময় কিছু নিয়ম মানলেই সন্তান হয়ে ওঠে বুদ্ধিমান ও চটপটে। আসুন জেনে নেওয়া যাক সেই উপায়গুলো কি…

১. সন্তানের মধ্যে সৃজনশীলতা বাড়াতে তাকে টেলিভিশন থেকে দূরে রাখুন। ভারতীয় বিশেষজ্ঞ অম্লান দত্তর মতে, শিশুরা টিভি দেখতে পছন্দ করে বলে আমরাও সেটা বারণ করি না। টেলিভিশনের চেয়ে যে কোনও ছড়ার বা গল্পের বই তাদের মনে অনেক প্রভাব ফেলে। এগুলো কল্পনাশক্তি বাড়ায় ও নতুন শব্দ শিখতে সাহায্য করে।

২. জন্মের পর যত দ্রুত সম্ভব তাকে ঘন হলুদ দু’ধ (কলোস্ট্রাম) পান করান। এ ছাড়াও অন্তত দু’ বছর মাতৃদু’গ্ধকে তার খাদ্য তালিকায় সবচেয়ে উপরের সারিতে রাখুন। শরীরে রো’গ প্রতি’রোধের ক্ষমতা বাড়াতে, শিশুর বুদ্ধির বিকাশে মাতৃদু’গ্ধের ভূমিকা অপরিসীম।

৩. শিশুর মানসিক বিকাশে সবচেয়ে বেশি কার্যকর মা-বাবার স’ঙ্গ। তাকে সক্রিয় ও চটপটে করে তুলতে ঘন ঘন তার সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ান। তাকে পর্যাপ্ত স’ঙ্গ দিন। ছোট থেকেই খেলার ছলে মজার ছড়া, নামতা, প্রচলিত গল্প, গান ইত্যাদি শোনাতে থাকুন।

৪. শিশুর বিকাশে কিন্তু অত্যন্ত জরুরি ভূমিকা পালন করে তার চারপাশের প্রকৃতি। মানুষ ছাডা়ও গাছপালা, পশু-পাখির সঙ্গে মিশতে দিন তাকে। বাড়িতে যদি পোষ্য না-ও থাকে, সন্তানকে নির্ভয়ে মিশতে দিন চারপাশের পশু-পাখির সঙ্গে। পশু-পাখিদের প্রতি মমত্ব, তাদের সঙ্গে খেলা এসব তাকে সুন্দর মনের অধিকারী করবে।

৫. ছেলেবেলা থেকেই সন্তানের শব্দের সংগ্রহ বাড়ানোর দিকে নজর দিন। মাতৃভাষার সঙ্গে অন্যান্য ভাষার প্রতিও আগ্রহ তৈরি করুন। ওয়ার্ড বুক সে ক্ষেত্রে কাজে আসবে। পড়তে না শেখা অবধি আপনিই তার সামনে সঠিক উচ্চারণে সে সব পড়ুন। শিশুর কান নতুন নতুন শব্দ শিখতে আগ্রহী হয়। উচ্চারণ শিখতেও এই উপায় অত্যন্ত কার্যকর।

৬. পাড়া-প্রতিবেশী থেকে শুরু করে বন্ধুবান্ধবের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিক সে। আর এই বিষয়ে আপনিই হয়ে উঠতে পারেন ওর দৃষ্টান্ত। নিঃস্বার্থভাবে অন্যের উপকারের সুফল ওকে শেখান ছোট থেকেই। এতে শিশু বড় মনের অধিকারী হবে সহজেই।

শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ১০টি নিয়ম

বিয়ের পর মে’য়েদের অনেক সময় শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে মানিয়ে নিতে সমস্যা হয়। নতুন পরিবেশ, সমস্যা হওয়াটাই অস্বাভাবিক নয়। নতুন পরিবেশে মানিয়ে চলতে পুরুষদেরও সমস্যা হয় যথেষ্ট। শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়দের সাথে স’ম্পর্কটি ভিন্ন ও স্প’র্শকা’তর, কারণ সামান্য এদিক-ওদিক হলে সেটার প্রভাব দা’ম্পত্য জীবনেও পড়ে বৈকি।

কীভাবে সহজে মানিয়ে চলা যায় শ্বশুরবাড়িতে? জেনে নিতে পারেন এই ১০ নিয়ম-

১. যদিও নতুন তবু স’ঙ্গীর সাহায্য নিন, তাঁর কাছ থেকে জেনে পারেন এই ১০ নিয়ম-নিন কেমন আচ’রণে পরিবার বিব্রতবোধ করে। সকলের পছন্দ-অপছন্দ জানুন, সকলের ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য জেনে রাখুন। এতে আপনার জন্যে সহজ হবে। আজীবন কাজে আসবে তথ্যগুলো।

২. সাধারণত প্রতিটি বাড়ির কিছু আলাদা নিয়ম থাকে। অথএব বাড়ির নিয়মগুলো ভালো ভাবে জেনে নিন। যতক্ষণ সবার সাথে আছেন, চেষ্টা করুন নিয়মগুলো মেনে চলতে। পরিবারের একজন দলছুট হয়ে নিয়ম ভঙ্গ করলে শুরুতেই খারাপ প্রভাব পড়ে।

৩. প্রতিটি স’ম্পর্কের সীমারেখা থাকা জরুরী, তাই স্বামী-স্ত্রী মিলে ঠিক করুন ব্যাপারগুলো। যেমন- শ্বশুরবাড়িতে কী দেবেন আর কীভাবে, উৎসব-অনুষ্ঠানে কী হবে, কোনো ব্যাপারগুলোতে আপনারা কথা বলবেন আর কোনগুলো এড়িয়ে যাবেন ইত্যাদি।

৪. আর্থিক লেনদেন একবারেই পরিহার করুন শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়ের সাথে। উপহার দেয়া বা সাহায্য করা এক ব্যাপার, কিন্তু ধার-দেনার মাঝে একেবারেই যাবেন না। টাকা স’ম্পর্ক নষ্ট করার মূল।

৫. বড় জন্যেই সম্মান ও ছোটদের জন্যে স্নেহ বরাদ্দ রাখুন। হয়তো মনে মনে আপনি মানুষটিকে পছন্দ করেন না। কিন্তু যেহেতু তারা আত্মীয়, সম্মান ও স্নেহ তাঁদের প্রাপ্য। তাঁদের থেকে গা বাঁচিয়ে চলুন, অসুবিধে নেই। কিন্তু কখনো অসম্মান বা অনাদর করবেন না।

৬. অনেকেই একটা বড় ভুল করেন। সেটা হচ্ছে, নিজে সরাসরি শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়দের সাথে মে’লামে’শা না করে স্ত্রী বা স্বামীকে দিয়ে করান। এই কাজটি করবেন না। নিজেকে একপাশে সরিয়ে না রেখে সহজ হয়ে মিশুন, সহজেই পরিবার তৈরি হয়ে যাবে।

৭. মনে রাখবেন ভনিতা করে বা অভিনয় করে ভালোবাসা পাওয়া যায় না। হয়তো আপনার শ্বশুর-শাশুড়ি যেমন পছন্দ করেন, আপনি তেমন নন। কিন্তু তাই বলে নিজেকে তাঁদের পছন্দ অনুযায়ী করার চেষ্টা করে লাভ নেই। আপনি যেমন আছেন, সেভাবেই তাঁদের মন জয় করার চেষ্টা করুন। নিজেকে বদলে ফেলে কিছুই পাবেন না।

৮. শ্বশুরবাড়ির কারো ব্য’ক্তিগ’ত জীবনে নাক গলাবেন না। যেচে পড়ে উপদেশ দিতে যাবেন না। কেবল তখনই কথা বলুন, যখন অন্য পক্ষ সেটা শুনতে চায়।

৯. নিজেকে শান্ত রাখতে শিখুন। নিজের পরিবারেও অনেক কিছু আমাদের পছন্দ হয় না। সেখানে শ্বশুরবাড়ির সবকিছু বা সবাইকে আপনার ভালো লাগবে, এমনটা ভাবা অনুচিত। নিজেকে শান্ত রাখতে শিখুন। নতুন সবকিছুকেই খারাপ মনে না করে কিছুদিন চেষ্টা করেই দেখুন ভালো লাগে কিনা।

১০. দা’ম্পত্য জীবনের সবচাইতে বড় সম্বল হচ্ছে ম্যাচি’উরিটি। ম্যাচি’উর আ’চরণ আপনাকে যা দিতে পারবে, অন্য কিছুই তা পারবে না। পরিবারের সকলকে বোঝার চেষ্টা করুন, ক্ষমা করতে শিখুন, দীর্ঘমেয়াদি স’ম্পর্ক রক্ষার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করুন।

কোথায় আপনাকে কী করতে হবে, সহজেই বুঝে যাবেন। মনে রাখবেন, আনন্দ বিনিময় করা খুব সহজ। কেবল চাই একটুখানি চেষ্টা। দা’ম্পত্য জীবন সহজ, এমনটা কেউ কখন বলেনি। তবে খুব একটা কঠিন কিছুও নয়। চেষ্টা করুন, সহজেই অর্জন করতে পারবেন সকলের ভালোবাসা।

About redianbd

Check Also

প্রায় সকল পুরুষরাই মেয়েদের এই ১০টি আচরণ ভীষণ অপছন্দ করে, সচেতন হোন!

প্রিয় পুরুষকে খুশি করতে কত কিছুই না করে থাকেন নারীরা। পছন্দের সাজসজ্জা, সুন্দর পোশাক, আন্তরিক …

Leave a Reply

Your email address will not be published.