বেড়াতে যাওয়ার আগে ফ্রিজে একটি কয়েন রেখে যান, ফিরে এসে দেখুন কি হয়!

স্বাস্থ্য হল আমাদের সব থেকে বড় সম্পদ। ভালো থাকার জন্য সবচেয়ে আগে যেটা দরকার সেটা হল শরীরকে ভালো রাখা। বর্তমানে সকলেই ব্যস্ত জীবন জাপন চালনা করে, ফলে কেউই রোজ বাজারে যায়না। প্রায় সব বাড়িতেই একদিন বাজার করে সারা সপ্তাহ ধরে খাওয়া চলে। মাংস থেকে মাছ, বিভিন্ন শাকসবজি সবই মজুত করা থাকে আমাদের ফ্রিজে।

কিন্তু এমন অনেক সময় হয়ে থাকে যে কোথাও ঘুরতে গেছেন। ফিরে এসে ফ্রিজে রাখা খাবার খেয়ে পরের দিন অসুস্থ হয়ে পড়লেন। কিন্তু বুঝতে পারলেন না অসুস্থতার কারণ। আপনি তো খাবার ফ্রিজে রেখে গিয়েছিলেন, তাহলে সেই খাবার খেয়ে আপনি অসুস্থ কিভাবে হলেন? এই প্রশ্ন মনে ঘুরপাক খেতে থাকে।

হতে পারে আপনার অনুপস্থিতিতে বাড়িতে ইলেক্ট্রিসিটি ছিল না। ফ্রিজ বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো। সেই সময় ফ্রিজের ঠান্ডা ভাব ছিলনা বা বরফ গলে খাবারে পড়েছে, তারপর আবার সেই খাবার ঠাণ্ডা হয়েছে। ফিরে এসে আপনি সেই খাবার খেয়েছেন। স্বাভাবিক ভাবেই আপনার শরীর খারাপ হবে।

কিন্তু একটি উপায় আছে যা করলে আপনি বাড়ি ফিরে ফ্রিজ খুলেই বুঝে যাবেন সব ঠিক আছে কিনা। এর সাহায্যে আপনি সপরিবারে কোথাও ঘুরতে গিয়েও নিশ্চিন্ত থাকতে পারবেন। বাড়ি ফিরে বুঝতে পারবেন আপনার খাবার গ্রহণযোগ্য কিনা।

এর জন্য লাগবে একটি মগ, মগ ভর্তি জল, একটি এক টাকার কয়েন। উপাদানগুলি দেখে নিশ্চই বুঝতে পারছেন এটি কোন খরচ সাপেক্ষ কাজ নয়। এবার বলি কি কি করতে হবে …

প্রথমে মগটি জলে ভর্তি করুন। আরপর তা ফ্রিজে ঢুকিয়ে দিন। জল জমে বরফ হয়ে গেলে তার ওপর এক টাকার একটি কয়েন রেখে দিন। রেখে নিশ্চিন্তে ঘুরতে বেড়িয়ে পড়ুন। ফিরে এসে কিছু জিনিস আপনাকে দেখতে হবে –

১। কয়েনটি জলের অল্প নীচে আছে তাহলে বুঝবেন কিছুক্ষনের জন্য ইলেক্ট্রিসিটি ছিলনা। এরকম হলে ফ্রিজে রাখা সব খাবার চেক করে খাওয়া ভালো। দেখে নিন সব খাবার খাওয়ার উপযুক্ত আছে কিনা, তারপর খান।

২। যদি দেখেন কয়েনটি একদম মগের তলায় পড়ে রয়েছে আর তার ওপরে বরফ জমেছে, তাহলে বুঝবেন বেশ কিছুদিন ইলেক্ট্রিসিটি ছিলনা, সমস্ত জল গোলে যাওয়ার ফলে কয়েনটি একদম নীচে চলে গেছে। এমন হলে ফ্রিজের সমস্ত খাবার ফেলে দিন। কারণ সেই খাবার খেলে আপনার শরীর খারাপ অবধারিত।

৩। যদি ফিরে এসে দেখেন যেমন রেখে গিয়েছিলেন কয়েনটি তেমন আছে তাহলে চিন্তার কোন কারণ নেই। কারণ ইলেক্ট্রিসিটি না যাওয়ার ফলে বরফ গোলে জল হয়নি, তাই কয়েনটি ওপরেই আছে। সেই খাবার নিশ্চিন্তে খেতে পারেন।

About redianbd

Check Also

আপনার ৫ মাস বয়সী ছোট্ট শিশুর যত্নের জন্য দরকারী কিছু পরামর্শ।

যতক্ষণ না আপনার বাচ্চা একজন প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে উঠছে, ততক্ষণ তার সমস্ত প্রয়োজনীয় যত্ন দরকার হবে। …

Leave a Reply

Your email address will not be published.