আপনার সঙ্গী কি প’রকীয়ায় মজেছেন? বুঝে নি’ন এই ৫ লক্ষণে।

একটা বিষয়ে হয়তো অনেকেই এক মত হবেন যে, সাধারণ প্রেমের গল্পের চেয়ে পরকীয়ার ‘মশলাদার’ গল্প অনেক বেশি মুখরোচক… অনেক বেশি আকর্ষণীয়!

একই কারণে পরকীয়া সম্পর্কের প্রতি ঝোঁকটাও অনেক বেশি। তবে ইচ্ছে থাকলেও বিপদে পড়ার ভয়ে বা প্রতারিত হওয়ার আশঙ্কায় পরকীয়া সম্পর্কের ধারে-কাছেও ঘেঁষেন না অনেকেই। তবে তা সত্ত্বেও অনেকেই ঘটনাচক্রে জড়িয়ে পড়েন পরকীয়া সম্পর্কে। অনেকেই সম্পর্কের একঘেয়েমি কাটাতে জেনে শুনেই জড়ান পরকীয়ায়। কিন্তু কোনও সম্পর্কে দু’জনের মধ্যে একজন পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়লে অন্যজন ক্রমশ কোণঠাসা হতে থাকেন।

মানসিক অবসাদ, দুশ্চিন্তা, হতাশা, একাকিত্ব ক্রমশ তাঁকে গ্রাস করতে থাকে। অথচ, যতক্ষণ না পরকীয়ার কোনও প্রমাণ মিলছে, ততক্ষণ সঙ্গীকে সে ভাবে কিছু বলাও যায় না! কিন্তু কী ভাবে বুঝবেন আপনার সঙ্গী কোনও ভাবে কোনও পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন কিনা? আসুন চিনে নিন এমন ৫টি লক্ষণ যেগুলি দেখে বুঝবেন আপনার সঙ্গী পরকীয়ায় মজেছেন…

১) খেয়াল করে দেখুন তো, আপনার সঙ্গী কি আপনার দৈনন্দিন রুটিন সম্পর্কে আচমকাই অতিরিক্ত কৌতুহল দেখাচ্ছেন? আপনি কখন বাড়ি ফিরবেন, কখন কোথায় বেরবেন ইত্যাদি ঘন ঘন জানতে চাইছেন? তাহলে বুঝতে হবে, তিনি আপনার নজর এড়িয়ে কোনও কিছু করতে চাইছেন। হতে পারে সেটা পরকীয়া সম্পর্ক।

২) যদি আপনার সঙ্গী হঠাৎ করেই নিজের সৌন্দর্য সম্পর্কে অতিরিক্ত সচেতন হয়ে ওঠেন, তাহলে বিষয়টি একটু চোখে চোখে রেখে দেখুন। যদি দেখেন আপনার সঙ্গী আচমকাই নিজের শরীরের গঠন, সাজ-পোশাক, সুগন্ধি ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটু বেশিই নজর দিচ্ছেন, তাহলে বুঝতে হবে তিনি হয়তো কাউকে ‘ইমপ্রেস’ করতে চাইছেন। অনেকেই নিজেদের সম্পর্কের পুরনো টান ফিরিয়ে আনতে এমনটা করে থাকেন। তবে এমনটা পরকীয়া সম্পর্ক জড়ালেও হতে পারে।

৩) যদি দেখেন আপনার সঙ্গী আপনার সঙ্গে সঙ্গমে বা যৌ*ন সম্পর্কের ক্ষেত্রে ক্রমশ উদাসীন বা উত্সাহ হারিয়ে ফেলছে তাহলে বুঝতে হবে সম্পর্কে কোনও সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। হতে পারে আপনার সঙ্গী কোনও পারিবারিক বা আর্থিক কোনও সমস্যার কারণে মানসিক চাপে রয়েছেন।

শারীরীক কোনও অসুস্থতার কারণেও এমনটা হতে পারে। তাই হয়তো আপনার সঙ্গী শারীরীক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তেমন উত্সাহ বোধ করছেন না। তবে এমনটা কিন্তু পরকীয়া সম্পর্ক জড়ালেও হতে পারে। খেয়াল রাখবেন, আপনার সঙ্গী শুধুমাত্র অভ্যাস বশত বা আপনাকে সঙ্গ দিতেই সঙ্গমে অংশ নিচ্ছেন কিনা।

৪) সাম্প্রতিক কালে যদি কোনও নতুন নাম আপনার সঙ্গীর মুখে বার বার শোনেন, তাহলে একটু সতর্ক হওয়া জরুরি। খেয়াল করে দেখবেন, নতুন এই মানুষটির সম্পর্কে আপনার সঙ্গীকে আপনি কোনও প্রশ্ন করলে তিনি কি এড়িয়ে যাচ্ছেন?

যদি তাই হয় তবে ব্যপারটা সন্দেহজন! এমনটা পরকীয়া সম্পর্ক জড়ালেও হতে পারে। তবে পরকীয়া সম্পর্ক না জড়ালেও কারও ব্যক্তিত্বে, কাজে, কথা-বার্তায় অতিরিক্ত মাত্রায় প্রভাবিত হয়ে পড়লেও এমনটা হতে পারে।

৫) সঙ্গী যদি হঠাত্ করেই ফোন বা ইন্টারনেটে ব্যাস্ত হয়ে পড়েন, যদি পরিবার বা বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে থেকেও মাঝে মধ্যেই একটু একলা হতে চান, তাহলে তাহলে বুঝতে হবে, তিনি আপনার নজর এড়িয়ে বা পরিচিত সকলের নজর এড়িয়ে কোনও কিছু করতে চাইছেন। সঙ্গীর মধ্যে এমন সন্দেহজন আচরণ লক্ষ্য করলে তা পরকীয়া সম্পর্কের কারণেও হতে পারে।

এই প্রতিবেদনে উল্লেখিত লক্ষণগুলি পরিস্থিতি অনুযায়ী আলোচিত আশঙ্কা বা সম্ভাবনা মাত্র। উল্লেখিত লক্ষণগুলি অন্যান্য শারীরিক বা মানসিক চাপ বা পরিস্থিতি বা কোনও সাময়িক আকর্ষণ জনিত করণেও হতে পারে।

তাই সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনও রকম দূরত্ব বা সমস্যা বোধ করলে সঙ্গীর সঙ্গে খোলামেলা আলোচনার চেষ্টা করুন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে আলোচনার মধ্যমেই সম্পর্কের জটিলতা কাটিয়ে স্বাভিবিক ছন্দে ফেরা সম্ভব।

আরো পড়ুন

প্রে’মের স’ম্প’র্কে এই ৫ ধরনের নারীর থেকে দূরে থাকুন!

প্রেমের কোনও বয়স হয় না। এই কথা তো যুগ যুগান্ত ধরে শুনে আসছেন। আবার একবার প্রেমে পড়লে ঠিক-ভুলের হিসাব করা হয়ে ওঠে দু’ষ্কর। প্রেমের রঙিন কাচে পুরো জগতটাই যেন রঙিন হয়ে ওঠে। কিন্তু প্রেমে পড়ার সময়ে একটু সাবধান তো হতেই হয়। না হলে ভবিষ্যতে বেশ সম’স্যায় পড়তে হতে পারে। মানছি প্রেমের যেমন কোনও রুল বুক হয় না, তবুও এই ৫ ধরনের মহিলাদের থেকে দূরে থাকাই শ্রেয়। দেখে নিন কেমন তাঁরা।

নারীবাদ জিন্দাবাদ: সমাজে যা কিছু খারাপ হচ্ছে, এবং যা আগামী দিনে হতে চলেছে তা সবই পুরুষদের জন্য হয়েছে এবং হবে। শুধু তাই নয়, এরা সব ব্যাপারে নিজেদের শ্রেষ্ঠ ভাবেন। বিশ্বে এমন কোনও কাজ নেই যা এরা পুরুষদের থেকে ভালো করতে পারেন না। আপনি যা খুশি করুন, মন পাবেন না।

টাকার প্রতি চাহিদা: ব্র্যান্ডেড পোশাক, হিরের আংটি কোনও কিছু চাইতেই কোনও কুন্ঠা নেই আপনার গার্লফ্রেন্ডের? সময় নিন, একটু ভেবে দেখুন। এত চাহিদা পরবর্তী সময়েও সামলাতে পারবেন তো!

রা’গ যখন অ’স্ত্র: সামান্য কোনও বিষয়েও আপনার গা’র্লফ্রে’ন্ডে রে’গে আ’গুন তেলে বেগুন! কথায় কথায় এই মা’রি কি সেই মা’রি অবস্থা! সারা জীবন এমন কারও সঙ্গে কাটাতে পারবেন তো!

ব্রেক কে বাদ: ব্রেক আপ হয়েছে মাত্র ক’দিন। আর সেই ফাঁকা জায়গাতেই আপনার এনট্রি! নিজেদের মধ্যে কথা কম হয়, বরং এক্স-কে নিয়ে শুনতে হয় বেশি! করার আগে আর একটু ভেবে দেখুন।

বিয়ে পাগল: স’ম্পর্ক সবে কফি শপ থেকে এগিয়ে সিনেমা পর্যন্ত গিয়েছে, আর এর মধ্যে বাড়ির লোকের সঙ্গে আলাপ করার আবদার! এমনকি উইন্ডো শপিংয়ে শুধু বেনারসির দিকেই নজর! আপনি নিজে তৈরি তো?

কিছু কথা বিবাহিত নারী ছাড়া আর কেউ জানেনা

নারী-পুরুষ ভেদে যেমন চিন্তা ভাবনা আর জীবনকে দেখার দৃষ্টি ভঙ্গি আলাদা, তেমনই মানুষের বৈবাহিক অবস্থার সাথেও কিন্তু এসবের পরিবর্তন হয়। একজন তরুণী বিয়ের আগে যেমনটা থাকেন, বিয়ের পর তাঁর অনেকটাই বদলে গিয়ে সম্পূর্ণ নতুন মানুষ হয়ে ওঠেন। বিয়ে ব্যাপার‍টা দূর থেকে যতটা সুখের মনে হয়, কাছে গেলে বদলে যায় পরিস্থিতি। এমন কিছু ব্যাপার আছে, যেগুলো বিয়ে না হলে আসলে অনুভব করা যায় না।

চলুন, জেনে নিই এমনই ৭টি বিষয়ের কথা।

১) আমাদের সমাজে বিবাহিতা নারীর জীবনে একটা অত্যন্ত বড় ইস্যু হচ্ছে শাশুড়ি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শাশুড়ির কারণে বিবাহিতা নারীরা নানান রকম মানসিক ও পারিবারিক সমস্যায় ভুগে থাকেন। এটা এমন একটা সমস্যা যে না পাড়া যায় বলতে আর না পাড়া যায় সহ্য করতে।

২) ছেলেদের জন্য ভালোবাসা যেমন, মেয়েদের জন্য ভালোবাসা আসলে তেমন নয়। বিয়ের কিছু বছর পর স্ত্রীর প্রতি অনেক স্বামীরই মনযোগ কমে আসে। বিষয়টা ভালোবাসার অভাব কখনো, কখনো আবার স্রেফ ব্যস্ততা বা দিনযাপনের অভ্যাস। অন্যদিকে বিয়ের বয়স বাড়ার সাথে স্ত্রীর বরং মনযোগ পাবার আগ্রহ বাড়ে। স্বামীর অবহেলায় মনে মনে দগ্ধ যে কোন বিবাহিতা নারীকে জীবনের কোন না কোন পর্যায়ে হতেই হয়।

৩) আমাদের সমাজে পুরুষেরা স্ত্রীদের সাংসারিক দায়িত্ব ভাগ করে নেন না। বিয়ের পর একটা পুরুষের জীবনে যেটুকু পরিবর্তন আসে, তার চাইতে অনেক বেশী বদলে যায় নারীর জীবন। সংসারের সমস্ত দায়িত্ব একা পালন করতে করতে নারী একটা বয়সে গিয়ে একাকীত্ব আর হতা’শায় ভুগতে শুরু করেন। বিশেষ করে সন্তানেরা একটু বড় হয়ে যাবার পর।

৪) মা-বাবা, পরিবারকে ছেড়ে সম্পূর্ণ নতুন একটি পরিবারে নিজেকে মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা যে আসলে কত কঠিন একটা বিষয়, সেটা কেবল বিয়ের পরই বুঝতে পারেন মেয়েরা। আর তাই তো বিয়ের পর পরিবারের জন্য টান এত বেড়ে যায়।

৫) পৃথিবীতে এমন কোন পুরুষ নেই যিনি কিনা অন্য নারীদের দিকে তাকান না বা কখনো তাকান নি। বিয়ের পর কখনো না কখনো তৃতীয় কোন নারীর আগমন নিয়ে কষ্ট পেতে হয় স্ত্রীদের। এটা হতে পারে যে স্বামী অন্য নারীর প্রতি আগ্রহী, আবার এমনও হতে পারে যে অন্য কোন নারী স্বামীর প্রতি আগ্রহী। দুই ক্ষেত্রেই কষ্ট স্ত্রীকেই ভোগ করতে হয়।

৬) বিবাহিত জীবনে যতই সুখী হোক না কেন, নিজের মনের গহীনে তরুণী বয়সের উচ্ছল জীবনের জন্য একটা হাহাকার পুষে রাখেন সব নারীই। দায়িত্বহীন আনন্দময় জীবন, নিজের মত সব কিছু করে ফেলার শাধিনতাম নিজের সেই দীপ্তিভরা যৌবন, সব কিছুর জন্যই কখ কখনো মন খারাপ হয়।

৭) আরেকটি ক’ষ্ট আছে, যা সন্তান কেন্দ্রিক। সন্তান না হওয়া, সন্তানের অসু’স্থতা, সন্তান বড় হয়ে যাওয়ার পর নানা ভাবে মাকে অবহেলা আর ক’ষ্ট দেয়া ইত্যাদি ব্যাপারগুলো কেবল বিবাহিতা নারীদের জীবনেই আসে।

About redianbd

Check Also

প্রায় সকল পুরুষরাই মেয়েদের এই ১০টি আচরণ ভীষণ অপছন্দ করে, সচেতন হোন!

প্রিয় পুরুষকে খুশি করতে কত কিছুই না করে থাকেন নারীরা। পছন্দের সাজসজ্জা, সুন্দর পোশাক, আন্তরিক …

Leave a Reply

Your email address will not be published.